আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বরিশাল স্বাস্থ্যখাতে শত কোটি টাকার দুর্নীতি: পিপলাই পরিবারের টেন্ডার সিন্ডিকেট উন্মোচন Faruq Wasif’s Fraud: 2.4 Million Disappeared Through Fake Seminar and Journalists’ Forged Signatures ইত্তেহাদ নিউজ: আন্তর্জাতিক বাংলা অনলাইন সাংবাদিকতায় নির্ভরযোগ্য একটি সংবাদমাধ্যম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠ—কেন দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইত্তেহাদ নিউজ বরিশাল সমবায় ব্যাংকের জমি দখল ও দুর্নীতির অভিযোগে উপ-নিবন্ধক মোহাম্মদ মোস্তফা আলোচনায় ইফতারে বৈষম্যের অভিযোগ: ভিআইপি ও সাধারণ কর্মচারীদের আলাদা মেন্যু, সমালোচনায় বরিশাল সিটি পিআইবিতে ভুয়া সেমিনারের নামে লাখো টাকা আত্মসাৎ, অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য পিআইবিতে দুই দিনে ২৪ লাখ টাকার ভুয়া বিল: স্বাক্ষর জাল, ভাউচার ভুয়া, সাংবাদিকদের নাম ব্যবহার ইত্তেহাদ নিউজ (Etihad.news): সততা, নিরপেক্ষতা ও সাহসী সাংবাদিকতার নির্ভরযোগ্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. এস এম হেমায়েত জাহানের বিরুদ্ধে গুগল স্কলার সাইটেশন জালিয়াতির অভিযোগ বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন: বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় যারা পিআইবিতে মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের লুটপাট, কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ স্বাধীন সাংবাদিকতায় জনপ্রিয় ইত্তেহাদ নিউজ ডিজিটাল ও স্মার্ট সাংবাদিকতায় ‘ইত্তেহাদ নিউজ’ বানারীপাড়ায় পরিত্যক্ত প্লাস্টিক রিসাইক্লিং: উদ্যোক্তা মো. ইউনুসের সফল গল্প নতুন লুকে সুনেরাহ বরিশাল কর বিভাগের স্টেনো টাইপিস্ট রতন মোল্লা দুর্নীতির শীর্ষে ডিপিএইচইতে পাঁচ কোটিতে প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ার দখল বরিশালে নির্বাচনী সফরে আসছেন তিন রাজনৈতিক দলের প্রধান ইসি ওয়েবসাইট তথ্য ফাঁস: সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড বিষয়ে সত্য কি?

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শোকের ক্যানভাস

রিপোর্টারের নাম: বরিশাল খবর
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন:
📸 ফটো কার্ড জেনারেটর

বরিশাল খবর অনলাইন নিউজ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফেসবুক পেজের প্রোফাইল পিকচার এখন কালো। এই শোক দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য। তার মতো অনেকেই তাদের প্রোফাইল পিকচার কালো করে শোক জানাচ্ছেন খালেদা জিয়ার জন্য; স্মরণ করছেন দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে তার অবদান।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, ৪১ বছর ধরে বিএনপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি গণতন্ত্রের লড়াই চালিয়ে যাওয়া খালেদা জিয়ার জীবনাবসান ঘটে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে। তার মৃত্যুতে দেশে দলমত–নির্বিশেষে সবাই এখন শোক পালন করছে। বিদেশি রাষ্ট্রনেতারাও জানাচ্ছেন শোক।  

খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান সকালে মায়ের মৃত্যুর খবর জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলে শোকাকুল হয়ে পড়ে বিএনপির অগুনতি নেতা, কর্মী, সমর্থক। 

তিনি লেখেন, আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার সেই পোস্টে এরই মধ্যে তিন লাখের বেশি মন্তব্য জমা হয়েছে, যেখানে খালেদা জিয়ার জন্য শোক প্রকাশ করা হয়।

‘মহাকালের সমাপ্তি’ ঘোষণা করে বিএনপির মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কথা জানিয়ে পোস্ট দেওয়ার পর খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ১২ ঘণ্টায় ২১ হাজারের বেশি মন্তব্য জমা হয় সেই পোস্টের নিচে।

সেখানে জাহিদুল ইসলাম মিলন নামের একজন লেখেন, বিএনপির আদর্শ, পথচলা কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান অনেকের কাছে বিতর্কিত হতে পারে, তবে একটি বিষয়ে সবাই একমত হবেন, আর তিনি হলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এই মহীয়সী নারী শুধু একজন নেত্রী নন, তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অধ্যায়। যার ধৈর্য ছিল পাহাড়সম, আত্মসংবরণ ছিল উদাহরণস্বরূপ। এক এক করে হারিয়েছেন জীবনের সব প্রিয়জন—স্বামী, সন্তান, সহযোদ্ধা। এক ছেলে শহীদ, আরেকজন নির্বাসিত। নিজে বন্দি, ঘরছাড়া, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নির্মম শিকার। তবু কখনো মাথা নত করেননি। 

খালেদা জিয়া মানে স্বৈরাচারকে ‘না’—বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল পোস্ট দেওয়ার পর পাঁচ ঘণ্টায় সেখানে প্রায় দুই হাজার মন্তব্য জমা হয়। 

সেখানে তুহিন হাসান নামের একজন লেখেন, যে জীবন সংগ্রামের, যে জীবন আপসহীন, সে জীবনের শেষ নাই।

বিভিন্ন মানুষ ফেসবুকে তাদের প্রোফাইল পিকচার কালো করেছেন খালেদা জিয়ার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায়। কেউ স্মরণ করছেন তার রাজনৈতিক জীবনের নানা ঘটনা। কেউ আবার আবেগঘন ভাষায় তুলে ধরছেন ‘আপসহীন’ হিসাবে পরিচিত এই নেত্রীর ব্যক্তিগত দৃঢ়তা ও সংগ্রামের গল্প।     

ফেসবুকে শায়েম ইউ রাকিব নামের একজন লেখেন, এক দশকের বেশি সময় পর আবার পরিবারে মৃত্যুর সংবাদ এল। এবার তারেক রহমান (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) হয়ে গেলেন সম্পূর্ণ অনাথ। হয়তো বাবাকে কিংবা ভাইকে হারানোর শোক তিনি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে কিছুটা হলেও ভুলে থাকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই চোখ দুটিও এবার চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। মাকে হারানোর ব্যথা ও শূন্যতা কতটা গভীর, তা সত্যিকার অর্থে বুঝতে পারে কেবল সেই সন্তানই, যে তার মাকে হারিয়েছে।

আতিফ আবু বকর লিখেছেন, বিদায় বিস্মিত বিস্ময়ের দৃঢ়তা, আমাদের সমকালের সুলতানা রাজিয়া। আপনি ছিলেন আমাদের এ মিছিলে, আমার প্রতিবাদী কবিতার শ্লোকে। ঘনঘোর ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটনের দীর্ঘ প্রতীক হয়ে দিল্লির আধিপত্যের মুখোমুখি শীর্ষ ব্যারিকেড।

খালেদা জিয়ার ছবি পোস্ট করে সাদ মাকফুল নামের একজন তার একটি বক্তব্য জুড়ে দেন, বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এটাই আমার ঠিকানা। এই দেশের মাটি ও মানুষই আমার সবকিছু। কাজেই আমি দেশের বাইরে যাব না।

মোবাশ্বার হাসান নামের একজন তার ফেসবুকে লেখেন, আমি ১৯৯১ সালে তাকে সরাসরি দেখেছিলাম। তিনি ছিলেন সুন্দর, মার্জিত, বিনয়ী ও নরমভাষী। নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসাবে তিনি আমাদের উপশহরে এসেছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ঠিক তেমনই ছিলেন—সুন্দর, মার্জিত, বিনয়ী ও শান্ত স্বভাবের। আজ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ শোকে কাঁদছে। আপনি ছিলেন বাংলাদেশের সত্যিকারের এক রানি—সোনা বা পাথরের মুকুটে নয়, মানুষের ভালোবাসায় অভিষিক্ত এক রানি। শান্তিতে ঘুমান, বেগম খালেদা জিয়া। 

জহিরুল আলম সিদ্দিক নামের একজন লিখেছেন, মানুষটা আপনার কেউ না, তবু তার জন্য মন খারাপ হয়। সমালোচনা থেমে গেছে। শুধু এটুকুই মনে হচ্ছে—সংসদে তাকে আর কখনো দেখব না। তিনি যেমন ছিলেন, তেমন ছিলেন। কিন্তু তিনি নেত্রী ছিলেন, ১৬ কোটি মানুষের প্রধান ছিলেন।

দেওয়ান মারুফ শুভ নামে একজন লেখেন, আমি বিশ্বাস করতাম, বেগম খালেদা জিয়া হাসিনার পতন দেখার জন্যই বেঁচে আছেন। তার মহাপ্রয়াণের শোকের মধ্যেও এই বিশ্বাস আমাকে একধরনের প্রশান্তি দেয়।

সাদিকুর রহমান নামের একজন লিখেছেন, বিদেশে না থেকে জেনেশুনেই কারাগারে ফিরে আসাই ছিল খালেদা জিয়ার সবচেয়ে বড় নৈতিক সিদ্ধান্ত। তিনি জানতেন, এটা জেল নয়—এটা কবর। তবু দেশের মানুষের সঙ্গে কষ্ট ভাগ করে নিতে তিনি ফিরে এসেছিলেন।

এমন হাজারো মন্তব্যে ফেসবুক এখন হয়ে উঠেছে শোকের ক্যানভাস।


কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..

সম্পাদক ও সিইও: মামুনুর রশীদ নোমানী

বরিশাল খবর অফিস: সিএন্ডবি রোড, বরিশাল

ইমেইল: nomanibsl@gmail.com

মোবাইল: 01713799669 / 01712596354

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি

© বরিশাল খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত

Developed by : BDIX ROOT